আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম

এই ব্লগে আসার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা যদি ভালো লাগে তবে মন্তব্য দিন। আপনার মন্তব্য আমার লেখা উন্নয়নে সহায়তা করবে। পড়তে থাকুন এবং নিয়মিত চোখ রাখুন।

ফেসবুকে পছন্দ করেছেন

রবিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০১২

"সবার জন্য শুভকামনা রইল"

মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি গঠিত হয় তার চিন্তা থেকে, আর চিন্তা তৈরি হয় বিশ্বাস থেকে, কোন কিছু বোঝার পরই তৈরি হয় বিশ্বাস, আর বুঝা যায় ঐ বিষয় সম্পর্কে জানলে। তাই আমাদের আচরন বা দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন বা উন্নয়নের জন্য প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু শিখতে হয়। আজ আমি একটা বিশেষ ঘটনা সম্পর্কে আপনাদের অভিহিত করব, যেটা জানার পর আপনারা পারতপক্ষে বদদোয়া বা খারাপ চিন্তা করবেন না।


আমাদের চিন্তা বা Thoughts হচ্ছে একধরনের চৌম্বক তরঙ্গ বা Magnetic Wave। আমাদের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক হচ্ছে এটার ট্রান্সমিটার এবং রিসিভার। যেহেতু এটা একধরনের তরঙ্গ। তাই বলা যায় এটার একটা ন্যূনতম শক্তি রয়েছে। এবং এটা এর কম্পাঙ্কের উপর ভিত্তি করে আকর্ষণ শক্তি প্রয়োগ করে। এই চিন্তাশক্তি আমাদের জীবনের উপর প্রচুর প্রভাব বিস্তার করে। আমাদের মস্তিষ্ক প্রতিদিন ৬০০০০ চিন্তা করতে পারে। যা আমরা নিয়ন্ত্রন করতে পারি না। যার ফলে অনিয়ন্ত্রিত চিন্তা আমাদের কোন ভালো ফলাফল এনে দেয় না তবে আমাদের কিছু ক্ষতি করে। ঠিক একারনেই আমরা চিন্তাশক্তির ব্যাপকতা বুঝতে পারি না।


এটাকে আমরা সূর্যের আলোর রশ্নির সাথে একটি পরিক্ষামুলক তুলনা করতে পারি। সূর্য কিরন প্রতিমুহূর্তে এই পৃথিবীতে পড়ছে। কিন্তু কোথাও কিন্তু সহসাই আগুন ধরে যাচ্ছে না। বা আমরা যখন রোদে হাঁটছি, আমাদের গা পুড়ে যাচ্ছে না। এই সূর্য রশ্নিকেই যদি একটি ম্যাগ্নিফ্লাইং গ্লাস এর মাধ্যমে একীভূত করা যায় বা ফোকাস করা যায়, তবে আমরা দেখতে পাই যে ফোকাস বিন্দুতে তাপ তৈরি হচ্ছে। এবং এটা ব্যাবহার করে দ্রুত আগুন ধরানোও সম্ভব। তেমনি আমাদের চিন্তাগুলো কে একীভূত করে অনেক অসাধ্য ঘটনা ঘটানো সম্ভব।


আমাদের চিন্তা আমাদের আশেপাশের পরিবেশের উপরও ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। অর্থাৎ আপনি যদি ভালো কিছু চিন্তা করেন তবে ভালো কিছু ঘটবে। এবং খারাপ চিন্তার ফসল ও খারাপ হবে। আর যেহেতু আপনার মস্তিষ্ক এটার ট্রান্সফরমার এবং রিসিভার তাই আপনার ভালো বা মন্দ চিন্তার বা ফ্রিকয়েন্সির তরঙ্গ তার পূর্ণ চক্র কমপ্লিট করার জন্য আপনার কাছেই ফিরে আসবে। আর আসার সময় তার প্রকৃতি অনুসারে আরও কিছু এনার্জি নিয়ে আসবে। অর্থাৎ পজিটিভ হলে পজিটিভ এবং নেগেটিভ হলে নেগেটিভ।


আমাদের চিন্তা যে বস্তুতে পরিণত হয় বা বস্তুর উপর প্রভাব বিস্তার করে এই নিয়ে জাপানের একজন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ডঃ ইমোতো (Dr. Emoto) ১৯৯০ সালে দুটি পরীক্ষা করেন।


প্রথম পরিক্ষায় উনি দুটি বয়ামে ভাত নেন। একটি বয়ামের উপর লেখেন “আমি তোমাকে ভালবাসি” এবং অন্যটিতে লেখেন “আমি তোমাকে ঘৃণা করি”। বয়াম দুটি উনি দুটি স্কুলের গেইটে রাখেন এবং বাচ্চাদের বলেন যে প্রতিদিন স্কুলে ঢুকার এবং বের হওয়ার সময়, যে বয়ামে যা লিখা আছে, তা বয়ামের সামনে দাড়িয়ে বলতে। সাত দিন পরের চিত্রটা ছিল এমন.............



দ্বিতীয় পরীক্ষা উনি করেন পানির উপর। ভিডিওটি মনযোগ দিয়ে দেখুন...............
পানির উপর চিন্তার প্রভাব




যদি পানির উপর আমাদের চিন্তা প্রভাব বিস্তার করতে পারে তবে মানুষের ক্ষেত্রে সেটা কি হতে পারে, যেখানে মানুষের শরীরের ৬০% পানি??


একটু ভাবুন!!!!! অন্যের জন্য বদদোয়া করলেও কিন্তু সেটা আমাদের জন্যও সত্য হয়ে যেতে পারে। কারন পানি আমাদের শরীরেও আছে।


তাই আজ থেকে আসুন আমাদের চিন্তার ধারা এবং দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করি। এবং সবার জন্যই দোয়া করি। অর্থাৎ Good Wish করি।


সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, ভালো চিন্তা করুন। আর আমার জন্যও দোয়া করুন।


শুভকামনা সবার জন্য

শনিবার, ৩১ ডিসেম্বর, ২০১১

ইচ্ছেটা..........


বিমুগ্ধ বিমর্ষ আকাশে
ভেজা চাঁদ যেন পূর্ণিমার দাবি রাখে
তারাগুলো যেথায় একজোট বাঁধে
বাঁধে মোহিত সুর বীণায়।
সেথায়, ভাবনার ছেঁড়া সুতো
নীলচে নির্বাসনের কাছে জমা রেখে
বনবিলাশী একাকী একজন
কুয়াশাভেজা হাসনাহেনা জড়ায় অনুভবে
ব্যাস্ত শহরের ব্যাস্ততা মাখা অস্থিরতা ছেড়ে
দূরের কোন পাড়াগাঁয়ের হাতছানি
টিনের চালে পাতায় জমা
কুয়াশার টুপ টাপ ঝরে পড়া
সেই টাপুর টুপুরের মোহে মোহাচ্ছন্ন
রাতটা যেন মাথার উপর
বিছানো শীতলপাটি
তার উপর নকশী কাঁথা ছড়িয়ে 
শুয়ে পড়া অবিমিস্রিত অবসন্ন দেহে।
শীতের প্রথম ভোরে--
হিমশীতল টাটকা খেজুর রসে মেতে,
দুপুরে সালদ নদীর পাড়ে
উঁচু টিবির উপর আমগাছটার হাতছানি
সন্ধ্যায় পাখির মত কুড়িয়ে আনা খড়কুটো
জ্বালিয়ে আগুন, উষ্ণতার অনুভবে
দূর দিগন্তে জেগে উঠা সেই ভেজা চাঁদ
আলোতে উদ্ভাসিত আকাশ, মাটি, মন
হঠাৎ দেখা তারাখসা
ভেতর থেকে জাগ্রত ইচ্ছেটা
এভাবেই থেকে যেতে চাওয়া আমরণ।।

শনিবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১১

তোকে অনেক বেশি ভালবাসি রে........


তোকে অনেক বেশি ভালবাসি রে
তুই বুঝিস আর নাই বুঝিস
তোকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ও দেখেছি
হৃদয়ে আপন করেও নিয়েছি
কে জানত যে, এই ভালবাসাটাই
কাল হবে আমাদের জীবনে
একটা সময় ছিল তখন,
তোকে নিয়ে ভাবতে ভাবতেই
কখন যে কোথায় চলে যেতাম
বুঝতাম না নিজেও
তখন কি কোন মোহে ছিলাম
নাকি ভালবাসার মর্মার্থ বুঝিনি??
আজো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজি
খুঁজে ফিরি সর্বক্ষণ
তুই কি আমার ভালবাসা বুঝবি না
দূরে গিয়েও কি তোর অবকাশ মেলেনা।

আমাকে একটু বোঝ, বুঝার চেষ্টা কর
আমি তোকে বুঝি রে
কিন্তু তুই যেটা বুঝিস, 
সেটা তো আমার ভালবাসা নয়
তোকে আমি যে এতোটা বছর ধরে
শেখালাম ভালবাসা।
কিছুই কি শিখিস নি??
আজো প্রতিটা মুহূর্ত কাটে
শুধু তোকে ভেবে ভেবে
রাগ করি, ঘৃণা করি, অভিমান করি
কিন্তু ভালবাসি যে শুধু তোকেই
আর কাউকে মন দেব.....
সেটা ভাবতেও পারিনা।

তুই কি বুঝবিনা রে
কোনদিন কি বুঝবিনা আমার ভালবাসা।
আমি জানি তুই ও ভালবাসিস আমায়
কিন্তু কি লাভ এই ভালবাসায়
যদি তুই সুখী না হতে পারিস
মানুষ তো সুখ পেতেই ভালবাসে।
তোকে খুব মনে পড়ছে রে
প্রতিটা প্রেমের গান, মনে করিয়ে দেয় তোকে
আমি জানি তুই ও আমার কথাই ভাবছিস
তবে কেন এমন করিস
কেন এমন ভাবিস
সুস্থ ভালবাসায় ফিরে আয়
অনুভব করতে শিখে নে
অনেক অনেক অনেক ভালবাসা
এখনও জমা আছে তোরই জন্যে ।।

বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১১

ছিন্ন চিন্তাবলি


আমার ছিন্ন চিন্তাবলি পাঠিয়ে দিলাম
আলফা লেভেলে তোমার কাছে
জ্বলন্ত সিগারেট হাতে ধরে
ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন ঘর থেকে মেইল করেছি
নিগুড় নীরবতার ঠিকানায় গেলে
খুঁজে পাবে আমার এই মেইল
ইনবক্সে না পেলে স্পাম ফোল্ডারে।

গভীর থেকে আরও গভীরে
ডুব দিতে চাই তোমায় নিয়ে
আমি তুমি সমৃদ্ধ কবিতা
চাচ্ছিলাম না লিখতে
লেখনী বার বার ছুটে যায়
ছুটে যায় তোমার পানে
কোন এক অদৃশ্য নাটাইয়ের টানে।

ইচ্ছেঘুড়িটা গোত্তা খেতে চায় ক্ষণে ক্ষণে
কিন্তু সুতোয় ঢিল পরে তখনই
মন পৃথিবীর স্বাভাবিকতায়
ইচ্ছেঘুড়িটার অবকাশ মেলে না।
মাথার ভেতর কোয়ান্টাম ফিজিক্স
আর বুকের ভিতর রসায়ন নিয়ে
এর চেয়ে ভালো আর কি বা বলা যায়।

চাঁদের অন্তঃকথা


ভাবনার মহাকাশযানে চেপে একবার
গিয়েছিলাম চাঁদের খুব কাছে,
চাঁদ আমায় দেখে তাকিয়ে ছিল
তাকিয়ে ছিল অবাক বিস্ময় নয়নে,
সময়টা রাত ছিল, চাঁদেরও জোছনা ছিল,
সে জোছনায় অস্পষ্ট আপ্লুত হয়ে
মোমের মত গলে পড়ছিল আবেগ।।
চাঁদ কে শুধাই---
চাঁদ!! ও চাঁদ!!! তোমার গায়ে
এ কলঙ্ক লেপে দিল কে??
তোমার রুপের পূর্ণতায়,
এতো ঈর্ষা হোল কার??
চাঁদ বলল, নাগো না—
এতো কলঙ্ক নয়,
এ আমার বুকে কষ্টের ছাপ।
বুকে কষ্ট চেপে না রেখে,
সবাইকে মুগ্ধ করা যায় না।
কষ্ট আছে বলেই না আমি রাত জাগি--
আমার মত যারা জাগে রাতে
তাদের মনে কোমল পরশ বুলাই।
সূর্যটা আমাকে আলো দেয় বৈকি
কিন্তু আমার কষ্টগুলো দিয়ে
ওর আলোর প্রখরতা কমাই,
ছড়িয়ে দেই কোমল আলো
সারা পৃথিবীতে।।

trafficG