আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতম

এই ব্লগে আসার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা যদি ভালো লাগে তবে মন্তব্য দিন। আপনার মন্তব্য আমার লেখা উন্নয়নে সহায়তা করবে। পড়তে থাকুন এবং নিয়মিত চোখ রাখুন।

ফেসবুকে পছন্দ করেছেন

বৃহস্পতিবার, ২১ জুন, ২০১২

oDesk readiness test এর প্রশ্ন এবং উত্তর

ODesk এ প্রোফাইল আপডেট করার অন্যতম উপায় হচ্ছে oDesk test গুলোতে পাশ করা। এর মধ্যে ODesk readiness test অন্যতম। এই টেস্টটি মুলত ODesk সম্পর্কিত কিছু আলোচনা মূলক টেস্ট। এখানে ১১ টি প্রশ্ন থাকবে। এবং সময় ১ ঘণ্টা। প্রতিটি প্রশ্নের সাথে একটা করে লিঙ্ক থাকবে যেখানে গেলে এর সঠিক উত্তর পাওয়া যাবে। কিন্তু তারপরও অনেকেই এই টেস্ট এ পাশ করতে পারেন না। তাদের জন্য আমি সেই test এর প্রশ্ন এবং উত্তর এখানে দেবার চেষ্টা করব। 
Ans: e. all of above

Ans: d. The oDesk fee is $2/hour for hourly contracts

Ans: e. all of above

Ans: e. all of above

Ans: a. Yes! You can create an agency and earn money

Ans: c. The weekly limit can be changed by the contractor 

Ans: e. all of above

Ans: e. all of above

Ans: e. all of above

Ans: b. How much pay and when to pay is at the employer's discretion

Ans: e. all of above
শুধু প্রশ্ন গুলোর উত্তর জানলেই হবে না। এই প্রশ্ন গুলোর মধ্যেই oDesk সম্পর্কে খুব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তাই এই ১১ টি প্রশ্ন এবং উত্তর ভালো করে মনে রাখা খুব বেশি প্রয়োজন।

আলইমরান

oDesk Certified MS Word 2007 Expert

oDesk Certified MS PowerPoint 2007 Expert

বুধবার, ২০ জুন, ২০১২

আউটসোর্সিং এবং ফ্রিল্যান্সিং (Outsourcing & Freelancing )


জুন ছিল কিউবি ল্যাপটপ মেলার ২য় দিন। সেদিন হোটেল রূপসী বাংলায় মেলার পাশাপাশি আয়জন করা হয়েছিল তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিভিন্ন সেমিনার। Computer source ltd. হোটেলের মার্বেল হলে আয়োজন করেছিল Logitech এর সৌজন্যে Meet the Bloggers & press নামক একটি অনুষ্ঠান। সেখানে প্রথম আলো ব্লগের পক্ষ থেকে ছিলাম আমি, আশরাফুল কবির ভাই, সফেদ কুহেলি, অনিন্দ্য অন্তর অপু, সাজ্জাদ হোসাইন ধূসর এবং শিমুল ফেরদৌস। আমাদের অনুষ্ঠান ছিল টা থেকে। কুহেলি, আমি, আশরাফুল কবির ভাই এবং ধূসর সেখানে আগেই পৌঁছে গেছিলাম। সৌভাগ্যক্রমে সেদিন টা থেকে বকুল হলে ছিল BDOSN (Bangladesh Open Source Network) এর পক্ষ থেকে আউটসোর্সিং এর উপরে বিশেষ সেমিনার। প্রথম আলো ব্লগের মোডারেটর হাসিভ ভাই এর সুবাদে আমরা জন অংশগ্রহন করেছিলাম সেখানে। সেখানে প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন মুনির হাসান স্যার।

আউটসোর্সিং সম্পর্কে আমার পূর্বের তেমন ধারনা ছিল না। আমি মনে করতাম সকল আউটসোর্সিংই হল PTC (Paid To Click). আমার ধারনা সম্পূর্ণ ভুল প্রমান করে আমি শিখলাম যে, আউটসোর্সিং এক বিরাট সম্ভাবনার নাম। কিন্তু আমরা সাধারন যারা আছি, আমাদের কাছে এর সঠিক তথ্য পৌছায় না। যার কারনে আউটসোর্সিং সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষ ভুল জানে এবং ভুল বুঝে। আমার আজকের এই লেখার উদ্দেশ্য হচ্ছে আউটসোর্সিং সম্পর্কে আমাদের ভুল ধারনা একটু পরিবর্তন করা।

একটা উদাহরন দিলে সহজে বুঝবেন, মনে করুন আমাদের বাসার কিছু কাজ আছে, যা আমরা নিজেরা করিনা। কাজের বুয়া দিয়ে করাই। বিনিময়ে আমরা তাকে পে করি। আউটসোর্সিং অনেকটা এমন। আবার এর মধ্যে কিছু বুয়া আছে যারা পার্মানেন্ট কাজ করে না। যাদেরকে বলি ছুটা বুয়া। আবার কিছু আছে পার্মানেন্ট কাজ করে, তাকে আমরা বলি বান্ধা বুয়া। এমনি ভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন কোম্পানি বা ব্যক্তি তাদের কাজটি কখনও স্থায়ী এমপ্লয়ি দিয়ে করায় আর কখনও খুঁজে নেয় কিছু ফ্রিল্যান্সারদের। ফ্রিল্যান্সার দিয়ে কাজ করানোর সুবিধা হচ্ছে, কাজদাতারা সল্প খরচে মানসম্পন্ন কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পেয়ে যায় এতে খরচ অনেক কমে যায়। অপরদিকে প্রচুর কাজের সুযোগ সৃষ্টি হয়। আউটসোর্সিং মুলত হয় কিছু মার্কেটপ্লেস এর মাধ্যমে। যেখানে অনেক ফ্রিল্যান্সারগন উনাদের প্রোফাইল নিয়ে কাজের অপেক্ষায় থাকেন। ব্যাপারটা অনেকটা এমন যে, আমরা যখন কোন বাজারে যাই, তখন অনেক বিক্রেতা তাদের পণ্য নিয়ে অপেক্ষা করে। আমরা দেখে শুনে যেটা ভালো হয় সেটা কিনি। 

মার্কেটপ্লেস গুলোর মধ্যে কিছু জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস হচ্ছে
1.      www.oDesk.com
2.      www.Freelancer.com
3.      www.vWorker.com
4.      www.Elance.com
5.      www.GetACoder.com
6.      www.ScriptLance.com
7.      www.ThemeForest.net
8.      www.GraphicRiver.net
9.      www.ActiveDen.net

আরও বিস্তারিত জানার জন্য কিছু সাইট

এই সাইট গুলো থেকে বিভিন্ন রকম পি.ডি.এফ. ফাইলসহ প্রচুর তথ্য ডাউনলোড করতে পারবেন।

একটা কথা মনে রাখা জরুরী, আউটসোর্সিং করতে হলে যে আপনাকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে এমন কিছু নয়, হতে পারে আপনি ভালো আর্টিকেল বা প্রিভিউ লেখেন বা ভালো অনুবাদক বা আপনি যদি ভালো গ্রাফিক্স জানেন, বা খুব ভালো MS OFFICE এর কাজও পারেন তবেও চলবে। অন্তত কোন একটা কাজে আপনাকে পারদর্শী হতে হবে। আর সাথে কিছু কম্পিটারের সাধারন জ্ঞান থাকলেই আউটসোর্সিং শুরু করা যায়।

আপনাদের সুস্বাস্থ্য এবং সুন্দর জীবন কামনা করছি।
oDesk Certified MS PowerPoint 2007 Expert


শনিবার, ১৬ জুন, ২০১২

আলোকবর্ষ


ঘুমের ভেতরে বা বাহিরে,
মনের ভিতরে যখনি উঁকি দেই
এক অসীম নিরবচ্ছিন্ন মহাশূন্য
ঝট করে উঠে আসে চোখের সামনে,
সেথায় খুঁজে ফিরি
শত শত আলোকবর্ষ ধরে
খুঁজি দৈব চয়নে
খুঁজি বিমূর্ত নয়নে
শুধু খুঁজে যাই বহু আকাঙ্ক্ষিত তোমায়

কত না সহজে বলে ফেলা
একটা শব্দ আলোকবর্ষ...
আলো নিজ গতিতে যদি চলে
নিরবচ্ছিন্ন ভাবে একটি বছর
এক বছরের ক্লান্তিহীন পরিভ্রমণ শেষে
অতিক্রান্ত হয় একটি আলোকবর্ষ। 

এতোটা সময় আর এতোটা পথ
ঘুরে ঘুরে ক্লান্তি নেই মনের
শুধু খুঁজে যায় আকাঙ্ক্ষিত তোমায়,
প্রতিক্ষার প্রতিটি প্রহর কাটে 
বোবা যন্ত্রণার অব্যক্ত চিৎকারে

শনিবার, ২ জুন, ২০১২

কোন এক বর্ষণ মুখর সন্ধ্যা


বর্ষণ মুখর সন্ধ্যা” কথাটি শুনলেই মনের ভেতর কেমন একটা ভেজা ভেজা অনুভূতি হয়। স্কুল কলেজে প্রায়ই দেখতাম বর্ষণমুখর সন্ধ্যা রচনা মুখস্থ করতে বলা হয়। আচ্ছা, আপনাদের কাছে আমার প্রশ্ন, বর্ষণ মুখর সন্ধ্যা কি মুখস্ত করে লেখার মত কোন বিষয়?

সাধারনত বৈশাখের শুরুতে এবং আষাঢ়, শ্রাবন দুই মাসে প্রায়শই বর্ষণমুখর সন্ধ্যার দেখা মিলে। অন্যান্য সময় যে বর্ষণ মুখর সন্ধ্যা পাওয়া যায় না, তা নয়। তবে একটু কম পাওয়া যায়। মাঝে মাঝে বৃষ্টি খুব ভালো লাগে। কবি হয়ে যেতে চায় মন। আর মাঝে মাঝে বর্ষণমুখর সন্ধ্যা সামনে পড়লে মনে হয়, “যা শালা!! বৃষ্টিটা এসেই গেল...........!!!”

এক গ্রীষ্মের ছুটিতে কাউকে না জানিয়ে তল্পিতল্পা গুঁটিয়ে দুপুরের একটু পড়ে রওয়ানা দিলাম বাড়ির দিকে। আমার বাড়িটা কোন শহুরে এলাকায় নয়। একেবারেই অজ পাড়া গাঁ। এই আধুনিক ডিজিটাল যুগেও আমাদের বাড়িতে বিদ্যুৎ পৌঁছেনি। বাসস্টপে নেমে রিক্সা নিয়ে গ্রামের সীমানায় যখন পৌছুলাম তখন সবে সন্ধ্যা নেমেছে। প্রচণ্ড ভ্যাঁপসা গরম চারিপাশে। গ্রীষ্মে যা হয়, ঐ যে, কাল বৈশাখীর কথা বলছি!! সেটা শুরু হবে হবে করে। আকাশ থমথমে, কোথা থেকে যেন এক ঝলক ঠাণ্ডা বাতাস গায়ে লাগল। বুঝে উঠার আগেই প্রচণ্ড বেগে বাতাস ছেড়ে দিল। ধূলায় চোখে কিছু দেখছি না। সিদ্ধান্ত নিলাম রাস্তা ছেড়ে জমির আইল ধরে যাব। যেই ভাবা, সেই কাজ, জুতো প্যান্ট সহই নেমে পড়লাম জমির আইলে। আসতে আসতে খুব সাবধানে হেঁটে যাচ্ছি যেন পিছলে না পড়ি। আর মনে মনে ভাবছি, এবার বৃষ্টি না এলেই হয়। বলা নেই কওয়া নেই। ঝুপ করেই বৃষ্টি নামল। অজান্তেই মুখ দিয়ে বেড়িয়ে এলো, যা শালা, বৃষ্টিটা এসেই গেল। 

শত সাবধানতা সত্তেও বৃষ্টি শুরু হওয়ার প্রথম মিনিটেই প্রথম আছাড় খেলাম, উঠতে গিয়ে আবার। এর পর আবার। প্রথম ধাক্কা কাঁটিয়ে ১০ কদম সামনে যাওয়ার পর পা হড়কে একেবারে কর্দমাক্ত জমিতে। সারা শরীরের কোথাও কাঁদা লাগা বাকি রইল না। ঝড়ে, জলে, কাঁদায় মাখামাখি হয়ে যখন বাড়ি পৌঁছুলাম, দরজা খুলে মা তখন প্রথমে আমাকে চিনতে পারেননি। ১০ সেকেন্ড পর যখন চিনলেন, তখন উনার চিৎকার দেখে কে। গোসল করে খাওয়া দাওয়া করে মাথায় ভালো করে খাঁটি সরিষার তেল মেখে, এক কাপ চা নিয়ে যখন আমার রুমের জানালার পাশে বসলাম.... একটু দৃশ্যটি কল্পনা করুন, টিনের চালে কখনও ঝমঝম কখনও টাপুর টাপুর করে বৃষ্টির ঝরে পড়া। আপনি জানালার পাশে গরম চা এর কাপ হাতে এক নিবিষ্ট মনে দেখছেন রাতের ভিজে যাওয়া। সামনে কেরোসিন বাতির টিমটিমে আলো হালকা শীত শীত আমেজ। একটা পাতলা কাঁথা গায়ে জড়িয়ে আয়েশ করে হেলান দিয়ে চা খাচ্ছেন, আর সামনে কাগজ কলম। বলুন, এমন পরিবেশে কি দু’লাইন কবিতা বের হয়ে আসে না......... 
আমি জানি, আসে......... 

আমার এইচ.এস.সি. পরীক্ষায় একটি বর্ষণমুখর সন্ধ্যা রচনা এসেছিল। সবাই দেখি মুখস্ত লেখে। আমি ঠিক এমন কিছুই লিখেছিলাম। একটু পরিমার্জন হয়েছে। তবে “যা শালা! বৃষ্টিটা এসেই গেল” এই লাইনটা লিখেছিলাম........ 

trafficG